★স্বাধীনতার দুবছর পর ১৯৭৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।
★প্রথমে শেরে বাংলা নগরের পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ভবনে এর কার্যক্রম শুরু হয়
★পরবর্তীতে এটিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ৪নং কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউতে স্থানান্তর করা হয়
★১৯৮৮ সাল পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল আণবিক শক্তি কমিশন। এটিই এখন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।
★গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যাবলি ভৌত বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ও প্রকৌশল এই তিনটি শাখায় পরিচালিত হয়।
★কমিশন ও বেক্সিমকোর যৌথ উদোগে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট শিল্পাঞ্চলে ‘গামাটেক’ নামে এক লাখ কুরি ক্ষমতাসম্পন্ন দেশের প্রথম বাণিজ্যিক বিকিরণ প্লান্ট ৩০ মার্চ ১৯৯৩ থেকে চালু হয়েছে।
★বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৩ সালের জুলাই মাসে তেজস্ক্রিয়তা বিকিরণ নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ আইন জারি করে
★বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সদস্যপদ লাভ করে।
★বাংলাদেশ বিজ্ঞানীদের বিজ্ঞান সংঘ কর্তৃক প্রতি বছর অন্বেষা নামে একটি সাময়িকী প্রকাশিত হয়।
★পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্দেশ্যে ১৯৬১ সালে গৃহীত প্রকল্প।
★ এ লক্ষ্যে ১৬২.১৫ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হয়
★বিভিন্ন সময়ে প্রকল্পের বিভিন্ন আকার নির্ধারণ করে- ১৯৬৩ সালে ৭০ মেগাওয়াট, ১৯৬৬ সালে ১৪০ মেগাওয়াট এবং ১৯৬৯ সালে ২০০ মেগাওয়াট নির্ধারিত হয়।
★যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সুইডেন, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং বেলজিয়ামের পারমাণবিক চুল্লি সরবরাহকারীরা বিভিন্ন আকৃতি ও ধরনের পারমাণবিক চুল্লী সরবরাহের প্রস্তাবনা পেশ করে।
★১৯৬৮ সালে একটি সোভিয়েত কোম্পানি ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি চুল্লি স্থাপনের সম্ভাব্যতা রিপোর্টসহ প্রকল্প সুপারিশ পেশ করে।
★চুল্লি স্থাপন সম্পন্ন করার সময়সীমা নির্ণয় করা হয় ১০ বছর
★একই সময়ে ১৯৬৯ সালে বেলজিয়াম থেকেও ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের একটি প্রস্তাব আসে।
★সম্প্রতি বাংলাদেশ রাশিয়ার সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে যাতে পাবনার রূপপুরে ২০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদণ ক্ষমতাসম্পন্ন
★প্রাথমিকভাবে প্রকল্পটির ব্যয়ভার নির্ধরিত হয়েছে ১.৫ থেকে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সম্ভাব্য সময়কাল ২০১৭-১৮।
#পরবর্তী পোষ্ট সাম্প্রতিক উপরে দিব।
শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৭
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
Abu Naim
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন