বাংলা ব্যাকরণ ও সাহিত্য বিষয়ক প্রস্তুতি
------------------------------------------
> লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা : ছড়া
> বাংলা সাহিত্যে ‘সাহিত্য সম্রাট’ বলা হয় :
বঙ্কিমচন্দ্রকে।
> ‘ময়মনসিংহ গীতিকা’ সম্পাদনা করেন : দীনেশচন্দ্র
সেন।
> বাংলা টপ্পা গানের জনক : নিধু বাবু।
> চর্যাপদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ লেখেন : ভুসুক পা, ৮টি।
> ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে’ চরণটির
রচয়িতা : রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায়।
> আমীর হামজা ও জঙ্গনামা গ্রন' দুটির লেখক : ফকীর
গরীবুল্লাহ।
> কাহ্ন পা রচিত পদের সংখ্যা : ১৩টি
> ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম বই : বেতাল
পঞ্চবিংশতি।
> যে মহিলা কবি সর্বপ্রথম রামায়ণ অনুবাদ করেন :
চন্দ্রাবতী।
> মর্সিয়া সাহিত্য গড়ে উঠেছিল : অষ্টাদশ শতকে।
> অন্নদা মঙ্গল কাব্যের রচয়িতা : ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর।
> বাংলা সাহিত্যে সনেটে প্রবর্তক : মাইকেল মধুসূদন
দত্ত।
> মুসলমান নারী জাগরণের অগ্রদূত : বেগম রোকেয়া।
> বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ বলা হয় : (৬৫০-১২০০)
খ্রি: পর্যন্ত সময়কালকে।
> চর্যাপদের আবিষ্কারক : হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
> ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ উপন্যাসটির রচয়িতা : মানিক
বন্দ্যোপাধ্যায়।
> বাংলা সাহিত্যের কণিষ্ঠতম সন্তান বলা হয় : ছোট
গল্পকে।
> শানি-পুরের কবি বলা হয় : মোজাম্মেল হককে।
> ‘ঠকচাচা’ চরিত্রটি যে উপন্যাসের : আলালের ঘরের
দুলাল।
> কবি কঙ্কন উপাধী যার : মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর।
> বাংলা একাডেমীকে বলা হয় : জাতির মননের প্রতীক।
> মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি : আলাওল।
> মহিলা রামায়ণকার বলা হয় : কবি চন্দ্রাবতীকে।
> ‘ডাকঘর’ নাটকটির রচয়িতা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
-
বিগত পরীক্ষার প্রশ্ন:
> ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থের নাম : সাত সাগরের
মাঝি।(২৯ তম BCS)
> ‘অনল প্রবাহ’ রচনা করেন : সৈয়দ ইসমাইল হোসেন
সিরাজী।(২৯ তম BCS)
> রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা’ : একটি উপন্যাস।
(২৪ তম BCS)
> ‘বত্রিশ সিংহাসন’ এর রচয়িতা : মৃত্যুঞ্জয়
বিদ্যালঙ্কার। (২৬ তম BCS)
> বাংলা গীতি কবিতায় ভোরের পাখি বলা হয় :
বিহারীলাল চক্রবর্তীকে (১১ তম BCS)
> বাংলা সাহিত্যে সনেটে প্রবর্তক : মাইকেল মধুসূদন
দত্ত।(২৫ তম BCS)
> মুসলমান নারী জাগরণের অগ্রদূত : বেগম রোকেয়া। (২৯
তম BCS)
> ‘জাহান্নাম হতে বিদায়’ উপন্যাসটি হলো :
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। (২৮ তম BCS)
> পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীন লেখক : দৌলত কাজী(১১ তম
BCS)
> ‘কবর’ নাটকটির লেখক : মুনীর চৌধুরী(১০ তম BCS)
> বাংলা ব্যাকরণ প্রথম রচনা করেন : মনো এল দ্য আসসুম্প
সাও।
> ‘কুলা’ শব্দটি : দেশি শব্দ।
> তৎসব উপসর্গ : ২০টি।
> যে স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ নেই : অ।
> বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা : ৩২টি।
> বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রা বর্ণের সংখ্যা : ৮টি।
> স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে : কার।
> ব্যঞ্জবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে : ফলা।
> দমন করা যায় না যাকে : অদম্য।
> ‘আ, সু, বি, নি’ এই চারটি উপসর্গ পাওয়া যায় : বাংলা ও
তৎসম উপসর্গে।
> ছাত্ররা বল খেলে : কর্মে শূণ্য।
> অর্থানুসারে বাংলা শব্দ : ৩ প্রকার।
> ‘বিষাদসিন্ধু’ যে সমাস : কর্মধারায় সমাস।
> সাধু ভাষা : গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দ বহুল।
> ক থেকে ম পর্যন-’ ২৫টি ধ্বনিকে বলা হয় : স্পর্শ ধ্বনি।
> ‘লবণ’ এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হবে : লো + অন।
> ‘যজ্ঞ’ এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ : যজ + ন।
> ‘ভূতের ব্যাগার’ বাগধারাটির অর্থ : অপচয়।
> ‘যে মেয়ের বিয়ে হয়নি’ এককথায় হবে : অনূঢ়া।
> ‘লাঠালাঠি’ : ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস।
> ‘ইস্কাপন, টেক্কা, রুইতন, হরতন’ ইত্যাদি : ওলন্দাজ শব্দ।
> চ, ছ, জ, ঝ হলো : তালব্য বর্ণ।
বিগত পরীক্ষার প্রশ্ন:
> সমাস ভাষাকে : সংক্ষেপ করে। (২৯ তম BCS)
> ‘উপরোধ’ শব্দের অর্থ : অনুরোধ। (২৮ তম BCS)
> পদ বলতে বোঝায় : বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতু। (২০ তম
BCS)
> ‘সন্ধি ব্যাকরণের যে অংশের আলোচ্য বিষয় :
ধ্বনিতত্ত্ব। (১৮ তম BCS)
> ‘পেরেশান’ শব্দটি : ফারসি (২৬ তম BCS)
> ‘চাঁদ’ শব্দটি : তদ্ভব শব্দ। (১০ তম BCS)
> ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয় : ধাতু (১২ তম BCS)
> বাংলা ভাষায় খাঁটি উপসর্গ আছে : ২১টি। (২৭ তম BCS)
> ‘নবান্ন’ শব্দটি যে প্রক্রিয়ায় গঠিত : সন্ধি (২৬ তম BCS)
> ‘বামেতর’ শব্দটির অর্থ : ডান (২৩ তম BCS)
------------------------------------------
> লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা : ছড়া
> বাংলা সাহিত্যে ‘সাহিত্য সম্রাট’ বলা হয় :
বঙ্কিমচন্দ্রকে।
> ‘ময়মনসিংহ গীতিকা’ সম্পাদনা করেন : দীনেশচন্দ্র
সেন।
> বাংলা টপ্পা গানের জনক : নিধু বাবু।
> চর্যাপদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ লেখেন : ভুসুক পা, ৮টি।
> ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে’ চরণটির
রচয়িতা : রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায়।
> আমীর হামজা ও জঙ্গনামা গ্রন' দুটির লেখক : ফকীর
গরীবুল্লাহ।
> কাহ্ন পা রচিত পদের সংখ্যা : ১৩টি
> ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম বই : বেতাল
পঞ্চবিংশতি।
> যে মহিলা কবি সর্বপ্রথম রামায়ণ অনুবাদ করেন :
চন্দ্রাবতী।
> মর্সিয়া সাহিত্য গড়ে উঠেছিল : অষ্টাদশ শতকে।
> অন্নদা মঙ্গল কাব্যের রচয়িতা : ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর।
> বাংলা সাহিত্যে সনেটে প্রবর্তক : মাইকেল মধুসূদন
দত্ত।
> মুসলমান নারী জাগরণের অগ্রদূত : বেগম রোকেয়া।
> বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ বলা হয় : (৬৫০-১২০০)
খ্রি: পর্যন্ত সময়কালকে।
> চর্যাপদের আবিষ্কারক : হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
> ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ উপন্যাসটির রচয়িতা : মানিক
বন্দ্যোপাধ্যায়।
> বাংলা সাহিত্যের কণিষ্ঠতম সন্তান বলা হয় : ছোট
গল্পকে।
> শানি-পুরের কবি বলা হয় : মোজাম্মেল হককে।
> ‘ঠকচাচা’ চরিত্রটি যে উপন্যাসের : আলালের ঘরের
দুলাল।
> কবি কঙ্কন উপাধী যার : মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর।
> বাংলা একাডেমীকে বলা হয় : জাতির মননের প্রতীক।
> মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি : আলাওল।
> মহিলা রামায়ণকার বলা হয় : কবি চন্দ্রাবতীকে।
> ‘ডাকঘর’ নাটকটির রচয়িতা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
-
বিগত পরীক্ষার প্রশ্ন:
> ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থের নাম : সাত সাগরের
মাঝি।(২৯ তম BCS)
> ‘অনল প্রবাহ’ রচনা করেন : সৈয়দ ইসমাইল হোসেন
সিরাজী।(২৯ তম BCS)
> রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা’ : একটি উপন্যাস।
(২৪ তম BCS)
> ‘বত্রিশ সিংহাসন’ এর রচয়িতা : মৃত্যুঞ্জয়
বিদ্যালঙ্কার। (২৬ তম BCS)
> বাংলা গীতি কবিতায় ভোরের পাখি বলা হয় :
বিহারীলাল চক্রবর্তীকে (১১ তম BCS)
> বাংলা সাহিত্যে সনেটে প্রবর্তক : মাইকেল মধুসূদন
দত্ত।(২৫ তম BCS)
> মুসলমান নারী জাগরণের অগ্রদূত : বেগম রোকেয়া। (২৯
তম BCS)
> ‘জাহান্নাম হতে বিদায়’ উপন্যাসটি হলো :
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। (২৮ তম BCS)
> পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীন লেখক : দৌলত কাজী(১১ তম
BCS)
> ‘কবর’ নাটকটির লেখক : মুনীর চৌধুরী(১০ তম BCS)
> বাংলা ব্যাকরণ প্রথম রচনা করেন : মনো এল দ্য আসসুম্প
সাও।
> ‘কুলা’ শব্দটি : দেশি শব্দ।
> তৎসব উপসর্গ : ২০টি।
> যে স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ নেই : অ।
> বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা : ৩২টি।
> বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রা বর্ণের সংখ্যা : ৮টি।
> স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে : কার।
> ব্যঞ্জবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে : ফলা।
> দমন করা যায় না যাকে : অদম্য।
> ‘আ, সু, বি, নি’ এই চারটি উপসর্গ পাওয়া যায় : বাংলা ও
তৎসম উপসর্গে।
> ছাত্ররা বল খেলে : কর্মে শূণ্য।
> অর্থানুসারে বাংলা শব্দ : ৩ প্রকার।
> ‘বিষাদসিন্ধু’ যে সমাস : কর্মধারায় সমাস।
> সাধু ভাষা : গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দ বহুল।
> ক থেকে ম পর্যন-’ ২৫টি ধ্বনিকে বলা হয় : স্পর্শ ধ্বনি।
> ‘লবণ’ এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হবে : লো + অন।
> ‘যজ্ঞ’ এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ : যজ + ন।
> ‘ভূতের ব্যাগার’ বাগধারাটির অর্থ : অপচয়।
> ‘যে মেয়ের বিয়ে হয়নি’ এককথায় হবে : অনূঢ়া।
> ‘লাঠালাঠি’ : ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস।
> ‘ইস্কাপন, টেক্কা, রুইতন, হরতন’ ইত্যাদি : ওলন্দাজ শব্দ।
> চ, ছ, জ, ঝ হলো : তালব্য বর্ণ।
বিগত পরীক্ষার প্রশ্ন:
> সমাস ভাষাকে : সংক্ষেপ করে। (২৯ তম BCS)
> ‘উপরোধ’ শব্দের অর্থ : অনুরোধ। (২৮ তম BCS)
> পদ বলতে বোঝায় : বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতু। (২০ তম
BCS)
> ‘সন্ধি ব্যাকরণের যে অংশের আলোচ্য বিষয় :
ধ্বনিতত্ত্ব। (১৮ তম BCS)
> ‘পেরেশান’ শব্দটি : ফারসি (২৬ তম BCS)
> ‘চাঁদ’ শব্দটি : তদ্ভব শব্দ। (১০ তম BCS)
> ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয় : ধাতু (১২ তম BCS)
> বাংলা ভাষায় খাঁটি উপসর্গ আছে : ২১টি। (২৭ তম BCS)
> ‘নবান্ন’ শব্দটি যে প্রক্রিয়ায় গঠিত : সন্ধি (২৬ তম BCS)
> ‘বামেতর’ শব্দটির অর্থ : ডান (২৩ তম BCS)
Abu Naim
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন