রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬

★তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি – লাল আলোর ।
★তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম – বেগুনী আলোর ।
★বিক্ষেপণ কম – লাল আলোর ।
★বস্তুর বর্ণ পদার্থের কোন ধর্ম নয়,
এটি আলোকের একটি ধর্ম ।
★নীল কাচের মধ্য দিয়ে হলুদ ফুল –
কালো দেখায় ।
★লাল আলোতে গাছের পাতা –
কালো দেখায় ।
★নীল কাচের মধ্য দিয়ে সাদা ফুল –
নীল দেখায় ।
★লাল ফুলকে সবুজ আলোয় –
কালো দেখায় ।
★সূর্য রশ্মি শরীরে পড়লে – ভিটামিন
ডি তৈরী হয় ।
★সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ
–গামা রশ্মি ।
★সবচেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ –
বেগুণী রশ্মি ।
★শরীরের ত্বকে ভিটামিন
তৈরীতে সাহায্য করে –পরিমিত
অতিবেগুণী রশ্মি ।
★আমাদের দর্শনাভূতির স্থায়িত্বকাল –
০.১ সেকেন্ড ।
★যে সকল বস্তুর আকর্ষণ ও দিকনির্দশক ধর্ম
আছে – চম্বুক পদার্থ ।
★চৌম্বকের চুম্বকত্ব একটি – ভৌত ধর্ম ।
★চৌম্বকের প্রকারভেদ – ১) প্রাকৃতিক
চৌম্বক, ২) কৃত্রিম চৌম্বক ও ৩) তড়িৎ
চৌম্বক ।
★চৌম্বক পদার্থ – টিন, আয়রণ, কপার,
কোবাল্ট, নিকেল ইত্যাদি ।
★চৌম্বক পদার্থের প্রকারভেদ – ১)
ডায়া চৌম্বক, ২) প্যারা চৌম্বক ও ৩)
ফেরো চৌম্বক ।
★কোন অঞ্চলে চৌম্বকের আকর্ষণ
সবচেয়ে বেশী– মেরু অঞ্চলে
★পৃথিবীর চৌম্বক উত্তর মেরু আসলে –
পৃথিবীর ভৌগলিক দক্ষিণ ।
★তড়িৎ দুই প্রকার – ১) স্থির তড়িৎ ও ২) চল
তড়িৎ ।
★চল তড়িৎ দুই প্রকার – ১) এ. সি. তড়িৎ ২)
ডি. সি. তড়িৎ।
★আমদের দেশে তড়িৎ প্রবাহ
সেকেন্ডে দিক পরিবর্তন করে – ৫০ বার।
★ডি. সি. প্রবাহ পাওয়া যায় –
ব্যাটারি থেকে ।
★রোধ পরিবাহীর চারটি বিষয়ের উপর
নির্ভর করে – ১) উপাদান, ২) দৈর্ঘ্য, ৩)
প্রস্থচ্ছেদ ও ৪) তাপমাত্রা ।
★মাধ্যম তিন প্রকার – ১) পরিবাহী, ২)
অর্ধপরিবাহী, ৩) অন্তরক বা অপরিবাহী।
★রাডার (Radar) হলো – Radio Detection and
Ranging ।
★অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা পাস এর
কাজে ব্যবহৃত হয়– পূর্ণঅভ্যন্তরীণ প্রতিফলন।

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মোট পৃষ্ঠাদর্শন

Blogger দ্বারা পরিচালিত.

জনপ্রিয় পোস্ট